Gynaecology & Obstetrics

প্রসব জনিত Fistula এবং এর চিকিৎসা

ফিস্টুলা মানে এমন একটি জায়গা যেখানে দিয়ে সবসময় দূষিত পদার্থ বের হতে থাকে। সেটা প্রস্রাব হতে পারে,  পায়খানা হতে পারে, অনেক সময় পুঁজ হতে পারে। এটা কিন্তু একটা ভিন্ন ধরনের ফিস্টুলা এবং এটার চিকিৎসা সাধারণত general surgeon করে থাকেন।  আমরা কিন্তু সবাই জানি প্রসব জনিত বিভিন্ন জটিলতার কারণে সারা বিশ্বে তথা আমাদের দেশে অনেক মায়েদের মৃত্যু হচ্ছে। কিন্তু এর সাথে যারা বেঁচে জান তাদের এসমস্ত জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়। তার মধ্যে সবথেকে বড় সমস্যা হলো প্রসবজনিত ফিস্টুলা।

যে সকল মায়েরা প্রসবের সময় হাসপাতালে না যান তখন ওই বাচ্চাটা মায়ের কোঠরের ভিতরে অনেক সময় আটকে থাকে। অনেক সময় আটকে থাকার ফলে বাচ্চার মাথা মায়ের কবরের ভিতর যখন আটকে থাকে তখন মায়ের পেটের মাংসপেশিতে অনেক সময় চাপের সৃষ্টি হয়। ফলে মাংসপেশিতে পচন ধরে যায়। গ্রামে দেখা যায় অনেক সময় বাচ্চা টেনে বের করা হয়, কিন্তু খারাপ যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। ওই মাংসপেশিগুলো পরে পচন ধরে ঝরে পড়ে। মহিলাদের সামনের দিকে আছে মুত্রথলি, পিছনে আছে পায়ুপথ। ফলে পায়ুপথের সাথে মুত্রথলি একটা সংযোগ তৈরি হয় ফুটো হয়ে।  যেটাকে বলে ফিস্টুলা। এই ছিদ্র দিয়ে দিনরাত প্রস্রাব-পায়খানা অথবা দুইটাই ঝড়তে থাকে। আপনারা চিন্তা করলে বুঝতে পারবেন যদি 24 ঘণ্টা এভাবে কারো ঝড়তে থাকে তাহলে কি অবস্থা হবে তার। এই পচনগুলো চারপাশে হয়ে যায়, প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয় এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। দুর্গন্ধের কারণে তাদের স্বামী তাদের ছেড়ে চলে যায়। এমনকি অনেক সময় তাদের স্থান দেয় না। এমনকি নিজের ভাইবোনরাও তাদের ঘর থেকে বের করে দেয়। তারা সহায়-সম্বলহীন ভাবে দুর্বিষহ জীবনযাপন করতে থাকে। তাদের কেউ কেউ কাজেও রাখেনা এই দুর্গন্ধের কারণে। তাদের একমাত্র ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়া কোনো পথ থাকে না। তখন অস্ত্রপ্রচার ছাড়া কোন পথ থাকেনা। যদি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ওই জায়গাটায় ছিদ্র বন্ধ করে দেয়া যায় তাহলে হয়ত এই সমস্যাটা সমাধান হয়ে থাকে। এটা কিন্তু 100 ভাগ প্রতিরোধযোগ্য। অনেকের ধারনা এটার কোন চিকিৎসা নাই এবং এই ধারণা থেকে তারা কখনো চিকিৎসার জন্য আসে না। আসলে এটি একটি জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে করতে হয়। ফিস্টুলা কিন্তু 100 ভাগ প্রতিরোধযোগ্য যদি এটি হওয়ার সাথে সাথে ধরা পড়ে এবং এটি যদি ছোট থাকে সেক্ষেত্রে এক মাস দুই মাস চিকিৎসা দিয়ে রাখলে সেটা আপনাআপনি বন্ধ হয়ে যেতে পারে ফুটোটা। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসা হল অস্ত্রোপচার। আমাদের দেশে কিছুসংখ্যক চিকিৎসক আছে যারা অস্ত্রোপচার করে থাকে।

১. কারনঃ-  যে সকল মায়েরা প্রসবের সময় হাসপাতালে না যান তখন বাচ্চাটা মায়ের কোঠরের ভিতরে  আটকে থাকে। আটকে থাকার ফলে মায়ের পেটের মাংসপেশিতে অনেক সময় চাপের সৃষ্টি হয়। ফলে মাংসপেশিতে পচন ধরে যায়। ওই মাংসপেশিগুলো পরে পচন ধরে ঝরে পড়ে। ফলে পায়ুপথের সাথে মুত্রথলি একটা সংযোগ তৈরি হয় ফুটো হয়ে।  যেটাকে বলে ফিস্টুলা।

২. লক্ষনঃ-  পায়ুপথের সাথে মুত্রথলি একটা সংযোগ তৈরি হয় ফুটো হয়ে।  এই ছিদ্র দিয়ে দিনরাত প্রস্রাব-পায়খানা অথবা দুইটাই ঝড়তে থাকে, ২. প্রচন্ড দুর্গন্ধ হয়।

৩. টিপসঃ-  অস্ত্রোপচারই এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা ।

 

Previous Post Next Post

No Comments

Leave a Reply