Nephrology

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা কিডনির দীর্ঘমেয়াদি অসুখ-

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ মূলত কিডনির একটি রোগ।, যেটি খুবই আলোচিত একটি রোগ। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ মানে হচ্ছে ধীরে ধীরে কিডনি দুর্বল হয়ে যাওয়া অথবা কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া।

ক্রনিক কিডনি ডিজিজের মুলত তিনটি কারন। প্রথম কারন হচ্ছে ডায়বেটিস, দ্বিতীয় কারন হচ্ছে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ এবং তৃতীয় কারন হচ্ছে কিডনির ঝাঁকুনি জনিত একটি প্রদাহ। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ হওয়ার লক্ষন সমূহের মধ্যে প্রথমত শুরুর দিকে যখন এই রোগটি হতে থাকে তখন কোন লক্ষন নাও থাকতে পারে। এটিই হচ্ছে এটার সবথেকে ক্ষতিকর দিক। এরপর হয়ত ডিজিজটা কিছুটা বেড়ে যায় তখন হয়ত লক্ষণগুলো আসতে পারে। লক্ষণগুলোর মধ্যে হয়ত দুর্বলতা, হয়ত ক্ষুদামন্দা, প্রস্রাব কম হওয়া, শরীরের মধ্যে ইনফেকশন হওয়া। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ হলে একটা সময়ে এসে আমাদের কাছে রোগ ভাল করার আর কোন উপায় থাকেনা। আমরা যেই চিকিৎসা সরবরাহ করি সেটা হল রোগটা যেন না বাড়ে, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ রোগটা যেন এডভান্স না হয় বা ক্রনিক কিডনি ডিজিজ যদি এডভান্স স্টেজে চলে যায় তাহলে আমরা সাপোর্ট ট্রিটমেন্ট দেওয়ার চেষ্টা করি। ক্রনিক কিডনি ডিজিজের পাঁচটি স্টেজ আছে। স্টেজ ১, ২, ৩, ৪, ৫। স্টেজ ৫ কে আমরা একটা সময়ে গিয়ে এন এস আর ডি বলি। তখন কিডনির কাজটা বিকল্পভাবে না করলে হয়ত মানুষটাকে বাঁচানো সম্ভব হয়না। ক্রনিক কিডনি ডিজিজে চিকিৎসা নেওয়ার আগে প্রতিরোধ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আবারো বলছি ক্রনিক কিডনি ডিজিজের যে চিকিৎসাটা দেওয়া হয় সেখানে রোগ ভাল হয়ে যাওয়ার খুব কম সুযোগ থাকে। সে কারনে এটাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করাই বেশি ভাল। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ প্রতিরোধ করতে মূলত যেই কাজটা করতে হয়ে সেটা হচ্ছে যেই কারনে ক্রনিক কিডনি ডিজিজটা হচ্ছে যদি তার উচ্চরক্তচাপ থাকে তাহলে সেটা নিয়ন্ত্রন করা, যদি তার ডায়বেটিস থাকে তাহলে সেটা নিয়ন্ত্রন করা। পাশাপাশি যদি তার রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে তাহলে এই জায়গাগুলোতে চিকিৎসা নেওয়া, খাওয়া কমানো, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত হাঁটা, পরিমিত পরিমাণ পানি পান করা।  এগুলোই হচ্ছে ক্রনিক কিডনি ডিজিজের প্রতিরোধের চেষ্টা।

১. কারনঃ- ১. ক্রনিক কিডনি ডিজিজের মুলত তিনটি কারন। প্রথম কারন হচ্ছে ডায়বেটিস, দ্বিতীয় কারন হচ্ছে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ এবং তৃতীয় কারন হচ্ছে কিডনির ঝাঁকুনি জনিত একটি প্রদাহ।

২. লক্ষনঃ- ১. শারীরিক দুর্বলতা, ২. ক্ষুদামন্দা দেখা দেওয়া, ৩. প্রস্রাব কম হওয়া, ৪. শরীরের মধ্যে ইনফেকশন হওয়া।

৩. টিপসঃ- ১. উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করা, ২. যদি ডায়বেটিস থাকে সেটা নিয়ন্ত্রন করা, ৩. খাওয়া কমানো, ৪. স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ৫. নিয়মিত হাঁটাচলা করা, ৬. পরিমিত পরিমাণ পানি পান করা।

 

Previous Post Next Post

You Might Also Like

No Comments

Leave a Reply