টারনার সিন্ড্রোম (Turner syndrome)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

মানুষের প্রতিকোষে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২২ জোড়া উভয় লিঙ্গে একই রকম এবং সেগুলোকে অটোসোম বলে। কিন্তু ২৩ তম জোড়ার ক্রোমোজোম নারী ও পুরুষ সদস্যে ভিন্নতর হয় এবং এগুলোকে হেটারোসোম বা সেক্স ক্রোমোজোম বলে। মানবদেহে দু ধরনের সেক্স ক্রোমোজম রয়েছে যা X ও Y নামে

যার দেহে ২৩ তম ক্রোমোজোম জোড় ২টি X ক্রোমোজোমে গঠিত সে ব্যক্তি নারী। কোন কারণে এই ক্রোমোজোমগুলোর মধ্যে একটি বা উভয়ই অনুপস্থিত থাকলে তাকে টারনার সিন্ড্রোম বলে। এই রোগে আক্রান্ত মহিলারা লম্বায় খাটো হওয়া, বয়ঃসন্ধি না হওয়া, বন্ধ্যাত্ব, হার্টের বিভিন্ন সমস্যা থাকা, মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকা সহ বিভিন্ন সমস্যায় ভোগে।

এই রোগ জন্মের পূর্বে বা শিশুকালেই নির্ণয় করা যায়। বয়ঃসন্ধি হওয়ার আগে পর্যন্ত সাধারণত এই রোগ নির্ণয় করা হয় না।

নিয়মিত চিকিৎসা, চেক আপ ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে অনেক মহিলাই সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করে থাকে।


কারণ

মহিলাদের সেক্স ক্রোমোজোম (X ক্রোমোজোম) এর অনুপস্থিতির কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। কেন এই ক্রোমোজোম অনুপস্থিত থাকে তার কারণ এখনও অজানা। 

লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

X ক্রোমোজোমের এই অনুপস্থিতি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। কখনো কখনো স্পার্ম বা ডিম্বাণুর কোন ধরনের সমস্যার কারণে এটি হয়ে থাকে। এটি কোন জিনগত সমস্যা নয়, তাই পরিবারের কোন সদস্যের মধ্যে এই রোগ থাকলে অন্যদেরও যে হবে এমন কোন সম্ভাবনা নেই। 

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গ ও হিস্পানিকদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম। অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ২ গুণ কম।   


সাধারণ জিজ্ঞাসা


উত্তরঃ এই রোগে আক্রান্ত মহিলারা স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারন করতে পারেন না। 

দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানোর পরেও স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণে সমস্যা হয়। তবে, কিছু পন্থার মাধ্যমে এই রোগে আক্রান্ত মহিলারা গর্ভধারণ করতে পারে।


হেলথ টিপস্‌

এই রোগ প্রতিরোধের উপায় এখনো অজানা। এটি হঠাৎ করেই হতে পারে এবং এটি বংশগত রোগ নয়। মায়ের এই রোগ থাকলে মেয়ের এই রোগ নাও হতে পারে।

এই রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী মহিলাদের ফিটাসে এই সমস্যা আছে নাকি তা প্রিন্যাটাল স্ক্রিনিং ও ডায়াগনষ্টিক টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব।

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সময়মত চেক আপ ও টেস্ট করানো উচিৎ।


বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

ডাঃএস জি মোগনী মওলা

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS, FCPS(Medicine), FACP(America)

প্রফেসর ডাঃ সামিনা চৌধুরী

গাইনি ও অবসটেট্রিক্স ( Obstetrics & Gynaecology)

প্রফেসর ডাঃ কোহিনুর বেগম

গাইনি ও অবসটেট্রিক্স ( Obstetrics & Gynaecology)

অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজহার

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস , এফসিপিএস(মেডিসিন) , এফআরসিপি(এডিন), এফএসিপি

প্রফেসর ডা: আনিসুল হক

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,FRCP(Edin),PHD(Gent)

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আলি হোসেন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,MD