হাইপারনেট্রেমিয়া (Hypernatremia)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

রক্তে সিরামে সোডিয়ামের মাত্রা প্রতি লিটারে ১৪৫ মিলিমোল/লিটার এর চেয়ে বেশি হলে তাকে হাইপারনেট্রেমিয়া বলে। এই সিরামের মাত্রার বৃদ্ধি রোধ এবং এটিকে স্বাভাবিক রাখতে অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোন (এডিএইচ) সাহায্য করে, এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় পানি বেরিয়ে যাওয়া রোধ করে। হাইপারনেট্রিমিয়ার কারণে শরীরের এবং কোষ অভ্যন্তরের পানি অতিরিক্ত মাত্রায় বেরিয়ে যেয়ে পানিশুন্যতা দেখা দেয়। এর মাধ্যমে যদি পানির সাথে সাথে সোডিয়ামেরও ক্ষয় হতে শুরু করে, তাহলে তীব্র মাত্রায় হাইপোভলুমিয়া দেখা দিতে পারে। যদি সোডিয়াম প্লাজমা কনসেনট্রেশন প্রতি লিটারে ১৬০ মিলিমোল/লিটার এর অধিক হয় তাহলে মারাত্মক কিছু শরীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।                                                                                                                                                                                                                                                                                    

কারণ

যখন শরীরে পানির পরিমান কমে যায় এবং সোডিয়ামের পরিমান বেড়ে যায় তখন হাইপারনেট্রেমিয়া দেখা দেয়। আপনার শরীর থেকে অতি মাত্রায় পানি বের হয়ে যাওয়ার কারণে এই সমস্যাটি সৃষ্টি হয়। হাইপারনেট্রেমিয়ার কারণে পানিশুন্যতা দেখা দেয়। বিভিন্ন কারণে ব্যক্তির পানিশুন্যতা দেখা দিতে পারে। যেমনঃ

  • খুব কম পরিমানে তরল জাতীয় খাবার খাওয়া।
  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া।


লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

এই রোগের ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় গুলো নিম্নরূপ।

  • পর্যাপ্ত পরিমানে তরল জাতীয় খাবার না খেলে
  • জ্বর
  • বমি
  •  ডায়রিয়া
  • নির্দিষ্ট কিছু ডাইইউরেটিক ব্যবহার করলে, এর ফলে ঘনঘন মূত্রত্যাগ হবে
  • শরীরের কোনো অংশ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেলে
  • শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল বেরিয়ে গেলে
  • বৃদ্ধ ব্যক্তি
  • বিভিন্ন ধরনের শরীরিক সমস্যা যেমনঃ ডায়বেটিস এবং কিডনী ডিজঅর্ডার  

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।  

জাতিঃ শেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম। অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গ এবং অন্যান্য জাতির মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। হিসপানিকদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ৫ গুণ কম।    


হেলথ টিপস্‌

  • হাইপারনেট্রেমিয়ার তীব্রতা বেড়ে গেলে রোগীকে হসপিটালে ভর্তি করতে হবে।
  • এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পর্যাপ্ত পরিমানে তরল জাতীয় খাবার খেতে দিতে হবে।
  • শিশুদের হাইপারনেট্রেমিয়ার কারণে পানিশুন্যতা দেখা দেয়। এই জন্য শিশুকে মাতৃদুগ্ধ পান করাতে হবে। এই রোগে আক্রান্ত শিশুর ওজন পরিমাপ করতে হবে। যার ফলে এই সমস্যাটিকে প্রাথমিক পর্যায়েই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।


বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডা: এ বি এম আব্দুল্লাহ

মেডিসিন ( Medicine)

MRCP(UK), FRCP(Edin)

প্রফেসর ডা: খাজা নাজিম উদ্দীন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS(Dhaka),FCPS(Med), FRCP(Glasgo), FCPS(USA)

প্রফেসর ডা: আনিসুল হক

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,FRCP(Edin),PHD(Gent)

ডাঃএস জি মোগনী মওলা

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS, FCPS(Medicine), FACP(America)

প্রফেসর ডা: মোঃ মামুন আল মাহাতাব (স্বপ্নীল)

মেডিসিন ( Medicine), হেপাটোলজি ( লিভার) ( Hepatology)