এমফাইসিমা (Emphysema)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

ফুসফুস মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের নিশ্চয়তা প্রদান করে এ ফুসফুস। এটি আবার বিভিন্ন সময়ে নানা রকম রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এর মধ্যে একটি জটিল ব্যাধি হলো এমফাইসিমা। এটি একটি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ। এমফাইসিমার ফলে ফুসফুসে মাত্রাতিরিক্ত বাতাস জমা হয়, ফুসফুস খুব দ্রুত ফুলে ওঠে এবং এর অভ্যন্তরের অংশগুলো অকেজো হয়ে পড়ে এবং একই সাথে ফুসফুসের স্ফেরিকাল বায়ুথলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার ফলে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় এবং ফুসফুসের স্থিতিস্থাপকতা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়।

ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারী ডিজিজের কারণে যে দুইটি সমস্যা বেশি দেখা যায় তার মধ্যে একটি হলো এমফাইসিমা আরেকটি হলো ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস। এমফাইসিমা সম্পূর্ণভাবে কখনো ভাল হয় না, তবে চিকিৎসার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


কারণ

এমফাইসিমা হওয়ার প্রধান কারণ হলো দীর্ঘদিন ধরে বিষাক্ত উপাদান বা পদার্থের সংস্পর্শে থাকা। যেমন-

  • ধূমপান।
  • মারিজুয়ানা ব্যবহার।
  •  বায়ু দূষণ। 
  • কল-কারখানার ধোঁয়া।

তবে কখনো কখনো আলফা-১ অ্যান্টিট্রিপসিন নামক প্রোটিন যা ফুসফুসের ইলাস্টিক গঠনকে রক্ষা করে, এর অভাব দেখা দিলে এই রোগ হয়ে থাকে, তখন একে আলফা-১ অ্যান্টিট্রিপসিন ডেফিসিয়েন্সি এমফাইসিমা বলে।


লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে সকল বিষয়ের কারণে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় সেগুলো হলোঃ

  • ধূমপান।
  • বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।
  • ধূমপায়ীদের সংস্পর্শে থাকলে।
  • ধোঁয়া বা ধূলাবালির সংস্পর্শে থাকলে।
  • বিভিন্ন ধরনের দূষণ বা বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে থাকলে।


যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গ, হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ৪২ গুণ কম।


সাধারণ জিজ্ঞাসা


উত্তরঃ এমফাইসিমা হলো সি-ও-পি-ডি এর একটি লক্ষণ। এটি সাধারণত ধূমপানের কারণে হয়ে থাকে। যারা দীর্ঘদিন ধরে ধূমপান করেন তাদের মধ্যে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। 

হেলথ টিপস্‌

কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

  • ধূমপান না করা।
  • ধূমপায়ীদের থেকে দূরে থাকা।
  • বিষাক্ত পদার্থ বা বায়ু দূষণ থেকে দূরে থাকা।


বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডা: এ বি এম আব্দুল্লাহ

মেডিসিন ( Medicine)

MRCP(UK), FRCP(Edin)

ডা: মো: শাকুর খান

পালমোনোলজি ( ফুসফুস) ( Pulmonology)

প্রফেসর ডা: আনিসুল হক

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,FRCP(Edin),PHD(Gent)

প্রফেসর ডা: খাজা নাজিম উদ্দীন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS(Dhaka),FCPS(Med), FRCP(Glasgo), FCPS(USA)

ডা: মো: রফিকুল আলম

পালমোনোলজি ( ফুসফুস) ( Pulmonology)

অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজহার

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস , এফসিপিএস(মেডিসিন) , এফআরসিপি(এডিন), এফএসিপি