বারসাইটিস (Bursitis)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

বারসাইটিস বলতে বারসার প্রদাহ (ইনফ্লামেশন) বা জ্বালাপোড়া বোঝায়। বারসা হল একটি ক্ষুদ্র, ফ্লুইড পূর্ণ থলে যা হাড়, টেন্ডন ও অস্থিসন্ধির পেশীকে আবৃত করে রাখে।

সাধারণত এই সমস্যা কাঁধ, কনুই ও হিপে হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো হাঁটু, গোড়ালি ও পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে এটি হতে পারে। বারবার ওঠাবসা কিংবা নড়াচড়া করার কারণেই এই সমস্যা প্রায় হয়।

এই অবস্থায় রোগীকে নড়াচড়া না করা এবং সাবধানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে বারসাইটিস কয়েক সপ্তাহেই ভাল হয়ে যায়, তবে পুনরায় এটি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।


কারণ

এই সমস্যার প্রধান কারণ হল অনবরত ওঠাবসা ও নড়াচড়া করা, যার কারণে বারসাতে জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে।

  • বাস্কেটবল খেলা করা।
  • মাথার উপর হাত বারবার তুলতে হয় এমন কাজ করা।
  • দীর্ঘক্ষণ কনুইয়ের উপর ভর দিয়ে থাকা।
  • অনেকক্ষণ হাঁটু গেড়ে বসে থাকা।
  • দীর্ঘসময় ধরে শক্ত কোন কিছুর উপরে বসে থাকা।

লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে কারো এই সমস্যা হতে পারে, তবে কিছু বিষয়ের কারণে এটি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়ঃ

  • বয়স্কদের ক্ষেত্রে।
  • এমন কোন কাজ করা যার কারণে হাত বারবার নাড়াতে হয় যেমন- কার্পেট বিছানো, টাইলস লাগানো, বাগানের কাজ, ছবি আঁকা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো।
  • রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস, গেঁটেবাত এবং ডায়াবেটিস থাকা।


যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।


সাধারণ জিজ্ঞাসা


উত্তরঃ বারসাইটিস হল বারসার প্রদাহ। সময়ের সাথে সাথে এর প্রাচীর পুরু হয়ে যায় এবং প্রচন্ড ব্যথা হয়। এই ব্যথা গুরুতরভাবে বারবার হয়ে থাকে। এর কারণে ইনফেকশন হতে পারে এবং এর জন্য অপারেশন করা অত্যাবশ্যক।

হেলথ টিপস্‌

বারসাইটিসের কারণে যে ব্যথা হয় তা কমানোর জন্য কিছু পন্থা অবলম্বন করা উচিত।

  • বিশ্রাম নিতে হবে।
  • নড়াচড়া করা যাবে না
  • ফোলা কমা্নোর জন্য বরফ লাগাতে হবে।
  • ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমানোর জন্য ইবিউপ্রোফিন ও ন্যাপ্রোক্সেন জাতীয় মেডিসিন গ্রহণ করতে হবে।
  • হাটুর নিচে কুশন রেখে ঘুমাতে হবে।
  • কনুইয়ের উপর যেন চাপ না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডা: মুজিবুর রহমান

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

ডা: শাহ হাবিবুর রহমান

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

ডাঃ: মতিউর রহমান

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

প্রফেসর ডা: মিনহাজ রহিম চৌধুরী

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

প্রফেসর ডা: আর আর কৈরি

অর্থোপেডিক সার্জারী ( হাড়) ( Orthopedic Surgery)

ডা: এ.এম ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

অর্থোপেডিক সার্জারী ( হাড়) ( Orthopedic Surgery)

ডাঃ রওশন আরা স্বপ্না

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

প্রফেসর ডা: সৈয়দ শহিদুল ইসলাম

অর্থোপেডিক সার্জারী ( হাড়) ( Orthopedic Surgery)