বিনাইন কিডনি সিস্ট (Benign kidney cyst)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

এটি কিডনীর সিস্ট বা সিম্পল রেনাল সিস্ট নামেও পরিচিত। কিডনী সিস্ট হলো পানিপূর্ণ একটি থলে যা কিডনীতে হয়ে থাকে। এর সাথে কিডনীর অন্য আরো কিছু সমস্যা থাকতে পারে এবং এর কারণে কিডনীর কার্যকারীতা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে। তবে সাধারণভাবে এটি সিম্পল কিডনী সিস্ট নামে পরিচিত এবং এর কারণে খুব কম ক্ষেত্রেই বিভিন্ন জটিলতা দেখা যায়।

সঠিক কি কারণে কিডনী সিস্ট হয় তা এখনও অজানা। সাধারণত কিডনীতে একটি সিস্ট হয়ে থাকে, তবে সিস্টের পরিমাণ বেশি হলে তা দুইটি কিডনীকেই আক্রান্ত করে।

ইমেজিং টেস্টের মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা হয়ে থাকে। কিডনী সিস্টের কারণে কোন লক্ষণ দেখা না গেলে কোন চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। 


কারণ

কিডনী সিস্ট কেন হয় তা এখনও জানা যায়নি। তবে এক গবেষণায় দেখা গেছে কিডনীর অভ্যন্তরীন আবরণ দূর্বল হয়ে গেলে সেখানে থলি সৃষ্টি হয়, তাতে ফ্লুইড জমা হয়, থলিটি সারফেস থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তা সিস্টে পরিণত হয়।  

লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে সকল বিষয়ের কারণে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়ঃ

  • উচ্চ রক্তচাপ
  • বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।


যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গ ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। হিস্প্যানিকদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম। কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ২ গুণ কম। 


সাধারণ জিজ্ঞাসা


উত্তরঃ কিডনী সিস্ট সবার মধ্যেই কমবেশি দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কিডনীতে একটিমাত্র সিস্ট থাকে, তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে সিস্টের পরিমাণও বেড়ে যায়। 

উত্তরঃ সাধারণত সিম্পল কিডনী সিস্টের কারণে কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। কারণ খুব কম ক্ষেত্রেই এটি মারাত্নক রূপ ধারণ করে। তবে, কখনো কখনো এই সিস্টের প্রাচীর খুব মোটা হয়, এক্সরের মাধ্যমে তা দেখতে অস্বাভাবিক লাগে এবং এর কারণে কিডনী ক্যান্সারও হতে পারে।  

উত্তরঃ নিম্নলিখিত লক্ষণ দেখা মাত্র চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।

  • পাঁজর,হিপের মধ্যবর্তী স্থান, পাকস্থলি বা পিঠে ব্যথা হওয়া।
  • জ্বর।
  • ঘনঘন মুত্রত্যাগ।
  • মুত্রের সাথে রক্ত পড়া।
  • মুত্রের বর্ণ কালো হওয়া।

এসব লক্ষণ দেখা যাওয়া মানে হল কিডনী সিস্ট যে কোন মুহুর্তে ফেটে যেতে পারে বা কিডনী সিস্টে ইনফেকশন হয়েছে।


বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডাঃ এম.এ সালাম

ইউরোলজি ( মূত্রতন্ত্রের সার্জারী) ( Urology)

প্রফেসর ডাঃ সোহরাব

ইউরোলজি ( মূত্রতন্ত্রের সার্জারী) ( Urology)

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সালাউদ্দিন ফারুক

ইউরোলজি ( মূত্রতন্ত্রের সার্জারী) ( Urology)

এমবিবিএস, এফসিপিএস(সার্জারী), এমএস(ইউরোলজি)

প্রফেসর ডাঃ জামানুল ইসলাম

ইউরোলজি ( মূত্রতন্ত্রের সার্জারী) ( Urology)