আনারস (জলডুগি) এর বর্ণনা


শেয়ার করুন

আনারস (জলডুগি)

উপকারিতা ও অপকারিতা

যার জন্য উপকারী কারণ
স্কার্ভি (Scurvy)

আনারসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন রয়েছে যেমনঃ ভিটামিন সি১০০ গ্রাম আনারসে ৪৭.৮ বা ৮০% ভিটামিন রয়েছে। শরীরে কোলাজেন সংশ্লেষণ এর জন্য ভিটামিন সি এর প্রয়োজন হয়। মানবদেহে গঠন তৈরী করার জন্য কোলাজেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা রক্তনালী, ত্বক, বিভিন্ন অঙ্গ এবং হাড়ের গঠনে সমতা বজায় রাখে। প্রতিদিন ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে স্কার্ভি রোগ থকে সুরক্ষা এবং প্রদাহ সৃষ্টিকারী ফ্রি র‍্যাডিকেল থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা যায়।

সাধারণ সর্দি-কাশি (Common cold)

শরীরের সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ভিটামিন সি অধিক পরিচিত। কিন্তু ব্রোমেলেইন একটি বিশেষ ধরণের এনজাইম যা শ্বাসনালী ও নাসিকারন্ধ্রতে কফ ও শ্লেষ্মা জমতে বাধা প্রদান করে কফ ও শ্লেষ্মা বৃদ্ধির ফলে শরীরে যে ধরণের দুর্বলতা বা অসুস্থতা দেখা দেয় তার বিরুদ্ধেও ব্রোমেলেইন প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে

অস্টিওপরোসিস/অস্থি ক্ষয় (Osteoporosis)

আনারস অধিক পরিমাণ ক্যালসিয়াম (যা হাড়ের জন্য খুব উপকারী) সমৃদ্ধ না হলেও এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। ম্যাঙ্গানিজ এমন একটি মিনারেল যা হাড়কে মজবুত করে এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ক্ষয় রোধ করে। আনারসের প্রধান মিনারেল হিসেবে ম্যাঙ্গানিজ সুপরিচিত। আনারসের এক পরিবেশনার মাধ্যমে দেহের দৈনন্দিন মিনারেলের চাহিদার ৭০% পূরণ করা সম্ভব

ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন (Macular degeneration)

দৃষ্টিশক্তি মানুষের অতি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা । চোখকে সুস্থ রাখতে এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা নিরাময় করতে আনারস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যাকুলার ডিজেনারেশন সাধারণত বয়স্কদের বেশী হয়ে থাকে এবং আনারসে উপস্থিত বেটা ক্যারোটিন এই জাতীয় চোখের সমস্যা নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে। দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় বেটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফল (যেমন আনারস) ও শাকসবজি রাখতে হবে যাতে বৃদ্ধ বয়সেও দৃষ্টিশক্তি অটুট থাকে

অ্যালঝেইমার ডিজিজ (Alzheimer's disease)

পটাশিয়াম ও কপার এর পাশাপাশি আনারস মানবদেহে অন্যান্য মিনারেল সরবারহ করে থাকে যা বিভিন্ন ধরণের এনজাইমেটিক প্রতিক্রিয়া (enzymatic reactions) প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। লোহিত রক্ত কনিকা গঠনে পটাশিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। লোহিত রক্ত কনিকার সংখ্যা স্বাভাবিক থাকলে বিভিন্ন অঙ্গ এবং তন্ত্রে অক্সিজেন সরবারহ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে এদের কার্যাবলী অনুকূল পরিবেশে (optimal level) সম্পাদন করা সম্ভব হয়। এটা ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া এবং অ্যালঝেইমার ডিজিজের মত বিভিন্ন ধরণের স্নায়বিক সমস্যা (neural disorders)নিয়ন্ত্রনে এনে মস্তিষ্কের উন্নতি সাধনে সাহায্য করে।  

ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (Irritable bowel syndrome)

আনারসের একটি বিশেষ দিক হলো এতে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরণেরই ফাইবার রয়েছে। সুতরাং, আনারস খেলে বিভিন্ন ধরণের রোগ যেমনঃ কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম, অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস, রক্ত জমাট বাঁধা, রক্তচাপ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়ফাইবার সাধারণ মাত্রায় মল তৈরি এবং মল ত্যাগ করতে সাহায্য করে ডায়রিয়া ও আইবিএস প্রতিরোধ করে।

আর্থ্রাইটিস

আনারসে ব্রোমেলেইন (এক ধরণের প্রোটিওলাইটিক এনজাইম) থাকে যা প্রোটিনকে ভেঙ্গে খাবার হজমে সহায়তা করে। ব্রোমেলেইন এ প্রদাহ, রক্তজমাট এবং ক্যান্সার বিরোধী উপাদানও রয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন আনারস গ্রহণ করলে আর্থ্রাইটিস, বদহজম, জীবাণুর সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করা যায়। অস্থিসন্ধি (Joints), মাংসপেশী, বিশেষ করে আর্থ্রাইটিস রোগের প্রদাহ কমানোর জন্য আনারস গ্রহণ করা সবচেয়ে বেশী কার্যকারী বা উপকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আনারসে বিদ্যমান ব্রোমেলেইন সাধারণত প্রোটিন ভাঙ্গার জন্য অধিক কার্যকারী হলেও এটা প্রদাহ বিরোধী উপাদান হিসেবেও কাজ করে। ব্রোমেলেইন এর ফলে, আর্থ্রাইটিস এর লক্ষণ ও উপসর্গ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।  

ক্যান্সার

আনারসে উপস্থিত ভিটামিন সি অ্যান্টিওক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলেআনারসে ভিটামিন সি ছাড়াও বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিওক্সিডেন্ট রয়েছে যেমন, ভিটামিন এ, বেটা ক্যারোটিন, ব্রোমালেইন এবং বিভিন্ন ধরণের ফ্ল্যাভোনয়েড যৌগএছাড়া আনারসে উচ্চ পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে যা সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং এটা বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মুখ, গলা এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে আনারস প্রত্যক্ষভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 

মুখের ক্যান্সার

আনারসে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ওরাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এছাড়াও আনারসে রয়েছে অ্যাস্ট্রিজেনমূলক উপাদান যা মাড়িকে শক্তিশালী করে দাঁতকে আলগা হতে দেয় না। অ্যাস্ট্রিজেনমূলক উপাদান শরীরের টিস্যুগুলোকে দৃঢ় করতে সাহায্য করে এবং দাঁতের ক্ষয়রোধ, চুল পড়া কমানো, পেশীর দুর্বলতা, ত্বকের সমস্যা ইত্যাদি রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। মাড়ির সমস্যা, দাঁতের ক্ষয়রোধ করতে চিকিৎসকরা প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে আনারস গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হৃদরোগ

আনারসে বিভিন্ন ধরণের মিনারেল রয়েছে, এর মধ্যে পটাশিয়াম অন্যতম। পটাশিয়াম শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান কারণ পটাসিয়ামের ঘাটতি হলে শরীরে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। রক্তনালী প্রসারণে পটাশিয়াম  সহায়তা করে অর্থাৎ, এটি রক্তনালীর চাপকে সহজ করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। রক্তনালী শিথিল থাকলে, রক্তচাপ(blood pressure) এবং রক্তের গতি স্বাভাবিক থাকে। পটাশিয়াম রক্ত জমাট বাধাকে প্রতিহত করে ধমনী ও শিরাতে প্লাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদি রোগ কমাতে পটাশিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সুতরাং, হৃদপিন্ডের সুস্থতার জন্য সঠিক পরিমাণে আনারস খাওয়া খুবই উপকারী

ডিমেনশিয়া (স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া)

পটাশিয়াম ও কপার এর পাশাপাশি আনারস মানবদেহে অন্যান্য মিনারেল সরবারহ করে থাকে যা বিভিন্ন ধরণের এনজাইমেটিক প্রতিক্রিয়া (enzymatic reactions) প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। লোহিত রক্ত কনিকা গঠনে পটাশিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। লোহিত রক্ত কনিকার সংখ্যা স্বাভাবিক থাকলে বিভিন্ন অঙ্গ এবং তন্ত্রে অক্সিজেন সরবারহ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে এদের কার্যাবলী অনুকূল পরিবেশে (optimal level) সম্পাদন করা সম্ভব হয়। এটা ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া এবং অ্যালঝেইমার ডিজিজের মত বিভিন্ন ধরণের স্নায়বিক সমস্যা (neural disorders)নিয়ন্ত্রনে এনে মস্তিষ্কের উন্নতি সাধনে সাহায্য করে।  

কোষ্ঠকাঠিন্য

আনারসের একটি বিশেষ দিক হলো এতে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরণেরই ফাইবার রয়েছে। সুতরাং, আনারস খেলে বিভিন্ন ধরণের রোগ যেমনঃ কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম, অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস, রক্ত জমাট বাঁধা, রক্তচাপ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়ফাইবার সাধারণ মাত্রায় মল তৈরি এবং মল ত্যাগ করতে সাহায্য করে ডায়রিয়া ও আইবিএস প্রতিরোধ করে।

যার জন্য অপকারি কারণ
গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ/ বুকজ্বালা (Gastroesophageal reflux disease)

সাধারণত অধিক পরিমাণে ভিটামিন সি গ্রহণ নিরাপদ বলেই ধারণা করা হয় যেহেতু এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। অধিক পরিমাণের ভিটামিন সি ইউরিনের মাধ্যমেই নিষ্কাশিত হয়ে যায়। কিন্তু অধিক পরিমাণ ভিটামিন সি গ্রহণের ফলে ডায়রিয়া,বমি বমি ভাব,বমি করা, পেটে ব্যথা, বুক জ্বালাপোড়া, মাথা ব্যথা এবং নিদ্রাহীনতা হয়।অতিরিক্ত মাত্রায় ব্রোমিলেইন (bromelain)সমৃদ্ধ ফল গ্রহন করার কারনেও ত্বকে ফুসকুরি দেখা দেয়,বমি হওয়া,ডায়রিয়া এবং মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হয়। অধিক পরিমানে এই এনজাইম গ্রহন করার কারনে জরায়ুর সংকোচন প্রসারনশীলতা কমে যায়,ফলে গর্ভবতী নারীদের গর্ভপাত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 

ঠোঁট ফুলে ও ছিলে যায়

আনারস অধিক পরিমাণে খাবার ফলে ঠোঁট, গালের ভিতরের অংশ এবং জিহ্বা ফুলে উঠতে বা ছিলে যেতে পারে। আনারসে মাংসপেশী ফুলে ওঠার জন্য দায়ী ক্ষতিকারক কিছু উপাদান রয়েছে যদিও কয়েক ঘণ্টা পর এই ফোলা ভাবটা চলে যায়। কিন্তু এই ফোলা ভাব যদি র‍্যাশ, আমবাত, শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে ওঠে তাহলে ধরে নিতে হবে এটা আনারস অ্যালার্জির লক্ষণ। সেক্ষেত্রে আনারস খাওয়া বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। 

ডায়রিয়া,বমি বমি ভাব, বমি করা, পেটে ব্যথা,মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়া, গর্ভপাত

সাধারণত অধিক পরিমাণে ভিটামিন সি গ্রহণ নিরাপদ বলেই ধারণা করা হয় যেহেতু এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। অধিক পরিমাণের ভিটামিন সি ইউরিনের মাধ্যমেই নিষ্কাশিত হয়ে যায়। কিন্তু অধিক পরিমাণ ভিটামিন সি গ্রহণের ফলে ডায়রিয়া,বমি বমি ভাব,বমি করা, পেটে ব্যথা, বুক জ্বালাপোড়া, মাথা ব্যথা এবং নিদ্রাহীনতা হয়।অতিরিক্ত মাত্রায় ব্রোমিলেইন (bromelain)সমৃদ্ধ ফল গ্রহন করার কারনেও ত্বকে ফুসকুরি দেখা দেয়,বমি হওয়া,ডায়রিয়া এবং মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হয়। অধিক পরিমানে এই এনজাইম গ্রহন করার কারনে জরায়ুর সংকোচন প্রসারনশীলতা কমে যায়,ফলে গর্ভবতী নারীদের গর্ভপাত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 

কিডনী ডিজিজ

হৃদরোগের জন্য চিকিৎসকরা সাধারণত বেটা ব্লকার গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, এর কারণে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বেটা ব্লকার গ্রহণ করার সময় অধিক পরিমাণ পটাশিয়ামযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। অধিক পরিমাণ পটাশিয়াম গ্রহণ কিডনী রোগীদের জন্য খুবই ক্ষতিকারকযদি কিডনী রক্ত থেকে অধিক পটাসিয়াম নিষ্কাশন করে দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এটা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

সারমর্ম

পুষ্টিতথ্য

  • পরিবেশন আকার: ১০০ গ্রাম
  • পরিবেষনার ধরন: ১ কাপ

ক্যালরি: ৫৭ কিলোক্যালরি

  • শর্করা: ১৩.৫ গ্রাম
  • ফ্যাট: ০.১১ গ্রাম
  • প্রোটিন: ০.৫৩ গ্রাম
  • পানি: ৮৫.৬৬ গ্রাম

খাদ্য পুষ্টি

  • ফ্রুক্টোজ: ২.১৫ গ্রাম
  • সুক্রোজ: ৬.৪৭ গ্রাম
  • সুগার: ১০.৩২ গ্রাম
  • আঁশ: ১.৪ গ্রাম
  • গ্লুকোজ ( ডেক্সট্রোজ): ১.৭ গ্রাম
  • ভিটামিন- বি-১ (থায়ামিন): ০.০৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-২ (রিবোফ্ল্যাভিন): ০.০৩৩ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৩ (নায়াসিন): ০.৫০৭ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৫ (প্যান্টোথিনিক এসিড): ০.২১৭ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৬: ০.১১৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- সি: ৫৬.৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- এ: ৫৭ I.U. (আন্তর্জাতিক একক)
  • ভিটামিন- ই: ০.০২ মিলিগ্রাম
  • টোকোফেরলস: ০.০৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- কে: ০.৭ মাইক্রোগ্রাম
  • কোলিন: ৫.৪ মিলিগ্রাম
  • ফোলেট: ১৯ মাইক্রোগ্রাম
  • ভিটামিন- এ,আর-এ-ই (RAE): ৩ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটা-ক্যারোটিন: ৩৪ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটাইন: ০.১ মিলিগ্রাম
  • সোডিয়াম: ১ মিলিগ্রাম
  • পটাসিয়াম (K): ১০৮ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম (Ca): ১৩ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস (P): ৮ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ১২ মিলিগ্রাম
  • লৌহ: ০.২৮ মিলিগ্রাম
  • জিংক (Zn): ০.১২ মিলিগ্রাম
  • সেলেনিয়াম (Se): ০.১ মাইক্রোগ্রাম
  • তামা (Cu): ০.১১৩ মিলিগ্রাম
  • ম্যাঙ্গানিজ (Mn): ০.৮১৮ মিলিগ্রাম
  • অ্যাশ: ০.২ গ্রাম